মাঝেমাঝেই গলা খুসখুস করছে? শুকনো কাশি হচ্ছে? মনে হচ্ছে গলায় যেন সারাক্ষণ কফ বা শ্লেষ্মা জমে আছে? অনেকেই এই উপসর্গগুলিকে দীর্ঘস্থায়ী সর্দি, অ্যালার্জি বা শ্বাসতন্ত্রের অন্য কোনও সমস্যার লক্ষণ ভেবে বসেন। কিন্তু এর আসল কারণটি লুকিয়ে থাকতে পারে এমন এক জায়গায় যা আপনি হয়তো কল্পনাও করেননি। এগুলি হতে পারে পেটের সমস্যার উপসর্গ। অন্ত্রের স্বাস্থ্য খারাপ হলে সবসময়ে যে পেট ফাঁপা বা পেট ব্যথার মতো সমস্যা দেখা দেবে, তা কিন্তু নয়। কখনও কখনও এমন সব উপসর্গও দেখা যায়, যা দেখে মনে হতে পারে এগুলির সঙ্গে পরিপাকতন্ত্রের কোনও সম্পর্কই নেই। এই উপসর্গগুলির নেপথ্যে থাকতে পারে সাইলেন্ট রিফ্লাক্স বা ল্যারিঙ্গ ফ্যারিঞ্জিয়েল রিফ্লাক্স ডিজ়অর্ডার বা এলপিআরডি-র সমস্যা।
বেশির ভাগ মানুষই বদহজম বা অ্যাসিডিটি মানে ভাবেন বুকজ্বালা। কিন্তু এলপিআরডি-তে অনেক সময়ে বুকে জ্বালাভাব থাকেই না। তাই একে বলে সাইলেন্ট রিফ্লাক্স। এ ক্ষেত্রে পেটে তৈরি হওয়া অ্যাসিড উপরের দিকে উঠে এসে গলার পিছনে ভয়েসবক্স বা কথা বলার যন্ত্রে অস্বস্তিভাব তৈরি করে। সামান্য মাত্রার অ্যাসিডও গলায় প্রদাহ তৈরি করে।
কী ভাবে সমস্যা দূর করবেন?
১) খাওয়ার সময়ে প্রচুর পরিমাণে জল খাবেন না। এর পরিবর্তে অল্প অল্প করে চুমুক দিন এবং দুই বেলার খাবারের মাঝে জল খেয়ে শরীরে জলের ভারসাম্য ঠিক রাখুন।
২) পেট অতিরিক্ত ভার হয়ে যাওয়া রুখতে খাওয়ার পর অন্তত ৩০ মিনিট অপেক্ষা করে তার পর এক গ্লাস জল খান।
৩) কার্বোনেটেড পানীয় বা গ্যাসযুক্ত পানীয় এড়িয়ে চলুন। কারণ এগুলি পাকস্থলীর উপর চাপ বাড়াতে পারে এবং রিফ্লাক্সের সমস্যা আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে।
৪) খাওয়ার পর সুগার-ফ্রি চুয়িংগাম চিবোতে পারেন। এটি লালা নিঃসরণ বাড়ায়, যা খাদ্যনালি থেকে রিফ্লাক্সের উপাদান পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।
৫) ঘুমোনোর সময়ে বাঁ দিকে ফিরে শোয়ার অভ্যাস করুন। কারণ গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে এটি রাতের বেলা রিফ্লাক্সের সমস্যা কমাতে সাহায্য করে।
বেশির ভাগ মানুষই বদহজম বা অ্যাসিডিটি মানে ভাবেন বুকজ্বালা। কিন্তু এলপিআরডি-তে অনেক সময়ে বুকে জ্বালাভাব থাকেই না। তাই একে বলে সাইলেন্ট রিফ্লাক্স। এ ক্ষেত্রে পেটে তৈরি হওয়া অ্যাসিড উপরের দিকে উঠে এসে গলার পিছনে ভয়েসবক্স বা কথা বলার যন্ত্রে অস্বস্তিভাব তৈরি করে। সামান্য মাত্রার অ্যাসিডও গলায় প্রদাহ তৈরি করে।
কী ভাবে সমস্যা দূর করবেন?
১) খাওয়ার সময়ে প্রচুর পরিমাণে জল খাবেন না। এর পরিবর্তে অল্প অল্প করে চুমুক দিন এবং দুই বেলার খাবারের মাঝে জল খেয়ে শরীরে জলের ভারসাম্য ঠিক রাখুন।
২) পেট অতিরিক্ত ভার হয়ে যাওয়া রুখতে খাওয়ার পর অন্তত ৩০ মিনিট অপেক্ষা করে তার পর এক গ্লাস জল খান।
৩) কার্বোনেটেড পানীয় বা গ্যাসযুক্ত পানীয় এড়িয়ে চলুন। কারণ এগুলি পাকস্থলীর উপর চাপ বাড়াতে পারে এবং রিফ্লাক্সের সমস্যা আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে।
৪) খাওয়ার পর সুগার-ফ্রি চুয়িংগাম চিবোতে পারেন। এটি লালা নিঃসরণ বাড়ায়, যা খাদ্যনালি থেকে রিফ্লাক্সের উপাদান পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।
৫) ঘুমোনোর সময়ে বাঁ দিকে ফিরে শোয়ার অভ্যাস করুন। কারণ গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে এটি রাতের বেলা রিফ্লাক্সের সমস্যা কমাতে সাহায্য করে।
ফারহানা জেরিন